
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নিজের লেখা, “তোরা পালাবে” এমন শিরোনামে সরকারের বিরুদ্ধে একটি গান লিখে নিজ কন্ঠে সুর দিয়ে ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়ার পর গোয়েন্দা সংস্থা মনিটরিং করে গ্রেফতার করার চেষ্টা করেও পালিয়ে থাকার কারণে ব্যর্থ হয়ে চ্যানেলটি বন্ধ করে দেয় তারা, সরকারের বিপক্ষে গান প্রকাশ করার জন্য পুলিশ হয়রানি থেকে বাচতে মোটা অংকের টাকা জরিমানা দিতে হয়েছিল।
বিগত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিএনপি সমর্থিত জনবান্ধব সফল ব্যবসায়ী হিসাবে শারিরীক, মানসিক, অর্থনৈতিক, মামলা, হামলা, জেল, জরিমানা সহ সাবেক এসপি হারুন অর রশিদ ও তার সহযোগীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনটি মামলা একটি সাদা রংয়ের নতুন এরিয়ার গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছিল, গচ্ছা দিতে হয়েছিল প্রায় ৩ কোটি টাকা। তার পরেও ক্ষান্ত হন নি তারা। লেলিয়ে দেওয়া দূর্বৃত্তরা হামলা করে পুড়িয়ে দিয়েছিল তার নিজস্ব একটি সাদা রঙের হেরিয়ার গাড়ি। গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার কারণে তৎকালীন সময়ে আশুলিয়া থানায় মামলা করতে গেলে মামলাটি নেয় নি।
এমন অসংখ্য শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক নির্যাতনের পরেও নিজের ব্যবসা, বাণিজ্য, পিছনে ফেলে রেখে বিএনপি কে সমর্থণ করে সাংগঠনিক নেতৃত্বে কঠোর ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে যান মো: মজনু মিয়া। দেশের একজন নাগরিক হিসাবে যার যার পছন্দ মতো দলকে সমর্থন করবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি কে সমর্থন, জিয়ার আদর্শকে ভালোবেসে খালেদা জিয়ার ন্যায়, নীতি ও সততা কে ধরে রেখে ব্যবসা, বিনোদন এর পাশাপাশি বিএনপি’র সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভাবে জড়িয়ে থাকাই ছিল তার অপরাধ, একান্ত সাক্ষাতকারেএমনটাই বললেন মো: মজনু মিয়া(এস.ডি রিপন)।
তিনি আরও বলেন- শত নির্যাতনের শিকার হয়েও গাজীপুর, টাঙ্গাইল সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে অপেক্ষার প্রহর গুণে আসছিলাম। তারা শুধু স্বান্তনা দিত, ধৈর্য্য ধরেন সব ঠিক হয়ে যাবে। আল্লাহ’র অশেষ মেহেরবানীতে ছাত্র জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের মাধ্যমে আমরা আমাদের নির্যাতনের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছি। শুধু আমরাই নই সারাদেশের মানুষ মুক্তি পেয়েছে। আমরা আশাবাদী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
টাঙ্গাইলের কৃতি সন্তান গাজীপুরের কোনাবাড়িতে বেড়ে উঠা। ছোট কাল থেকেই স্কুল জীবনের অনেক দুষ্টামী, অর্থের পিছু টানে সুনির্দিষ্ট ছিল না কোন পরিকল্পনা । পড়ালেখা শেষ করে ব্যবসায় পা রাখা, তিলে তিলে নিজেকে একজন ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচিতি লাভ করাই ছিল তার লক্ষ্য উদ্দেশ্য। এমন চিন্তা চেতনা নিয়ে ব্যবসার পাশাপাশি একটু সময় পেলেই আনন্দ, বিনোদন, গান বাজনায় ডুবে যেতেন তিনি। নিজের লেখা গান সুর করে দেশ ব্যাপী সুনাম অর্জন করেছেন। চলে যেতেন বিএনপি’র সমর্থিত বন্ধু, বান্ধব ও নেতৃবৃন্দের সাংগঠনিক কার্যক্রমে। যার ফলে কিছু আওয়ামী পন্থীদের ইশারায় প্রশাসনিক সোর্স এর মাধ্যমে সকল খোজ খবর নিয়ে ষড়যন্ত্রের জাল পেতে বিগত ১৫ বছরে গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া, জেল জরিমানা সহ গুণতে হয়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা। তার পরেও বিএনপির নেতৃত্ব থেকে হাল ছাড়েন নি তিনি। স্যোশাল মিডিয়ায় নিজের ফেইসবুক আইডি থেকে খালেদা জিয়া, তারেক জিয়ার ছবি সহ ধানের শীষের ছবি পোস্ট করে, দলীয় কার্যক্রমে অংশ নিয়ে বিএনপি পরিবারের একজন সদস্য হিসাবে দূর দিনেও জানান দিয়ে আসছিলেন তিনি। কানাকানি, হানাহানি পরিহার করে বিএনপি’র সকল অঙ্গসংগঠন সহ তৃণমূলের নেতৃবৃন্দের প্রতি নজর দিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করে দেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণে কাজ করে বিএনপি সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে আমি মনে করছি। সকল দমন পীড়ন ভুলে গিয়ে অবাধ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বিএনপি’র সকল নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানালেন তিনি।