
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ
সাতখীরা জেলা তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়ন সভাপতি পরিচয় দানকারী ও সাংগঠনিক সম্পাদক তালা উপজেলা জিয়া মঞ্চ পরিচয় দানকারী পাটকেলঘাটা কুমিরা ইউনিয়নের রাড়িপাড়া হাজামপাড়া গ্রামেরছেলে খান মোঃ আব্দুল আহাদ বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারী দের জোর করে ধর্ষণ চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। তার চাঁদাবাজি ও দখলবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী।ভুক্তভোগী কয়েকজন জানিয়েছেন, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে তালা উপজেলার বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারী দের জোর করে ধর্ষণ সহ বিভিন্ন স্থানে জমি দখল, অন্যের পুকুরের মাছ লুট, একাধিক মানুষের বাড়িঘর লুটপাট, ভাঙচুর, জমি দখল, অন্যের জমিতে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ, হাটবাজারে চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন যুবদল নেতা পরিচয় দানকারী খান মোঃ আব্দুল আহাদবিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও লুটপাটের রাজনীতি ছেড়ে জনগণের ভালোবাসা অর্জনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশনা অমান্য করে চাঁদাবাজি ও লুটপাটে মেতেছেন খান মোঃ আব্দুল আহাদ। তার হয়রানি থেকে বাদ যাননি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। তার কথামতো কাজ না করলে আওয়ামী লীগের দোসর ট্যাগ দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। এই নেতার বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এসব বন্ধে তারা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।অনুসন্ধানে গেলে অনেক সংখ্যালঘু, সম্প্রদায়ের নারী জীবনের মায়ায় নাম না বলতে চাওয়া অনেকেই জানান আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন ৫ আগস্ট মধ্যরাতে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমাদের নারীদের জোর করে ধরে ধর্ষণ করেন এই খান মোঃ আবদুল আহাদ আমরা তার কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চাইলেও ক্ষমা করেন না তিনি এর পার যান তালা উপজেলা কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ রহমান বাসায় সেখানেই গিয়েই লুটপাট চালিয়েছেন খান মোঃ আব্দুল আহাদ সহ তার অনুসারীরা। ওই বাসা থেকে ৩৫ ভরি স্বর্ণ, পাঁচটি মোবাইল ফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যান তারা। ৬ আগস্ট তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ রহমান আজিজ গরুর খামার থেকে ৫০ লাখ টাকার গরু লুট করে নিয়ে যান খান মোঃ আব্দুল আহাদ। একই দিন ওই এলাকার আরেক ব্যক্তির দোকান থেকে মাছের খাদ্য লুট করে নিয়ে যান। তার ভয়ে থানায় অভিযোগও দেননি ভুক্তভোগীরা।তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ রহমান আজিজ বলেন, ‘আমি ক্লিন ইমেজের রাজনীতি করছি। গত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আমাকে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। কখনও কারও ক্ষতি করিনি। তবু গত ৫ আগস্ট রাতে যুবদল নেতা পরিচয় দানকারী খান মোঃ আব্দুল আহাদ দলবল নিয়ে এসে আমার বাড়িতে যে লুটপাট ও ভাঙচুর চালিয়েছে, তা দুঃখজনক। খান মোঃ আব্দুল আহাদ নেতৃত্বে একদল যুবক আমার বাসায় ডুকে ৩৫ ভরি স্বর্ণ, পাঁচটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, ঘড়িসহ ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যান। রাজনীতিতে ভালো সময় খারাপ সময় সবারই আসবে। তবে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছি তখন যখন দেখেছি খান মোঃ আব্দুল আহাদ আমার স্ত্রীর গলা থেকে সোনার চেইন ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। এটা কোনও রাজনৈতিক চর্চা হতে পারে না।’তবে সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের নেতাদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আপনারা যেহেতু বলেছেন অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আমরা দলীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব এবং তাকে আইনের আওতায় আনার শাস্তি দাবি জানাবোপাটকেলঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাইনউদ্দিন কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন তার বিরুদ্ধে যদি এমন কোন অভিযোগ থাকে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইন করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে