সংবাদ শিরোনাম :
«» গাজীপুর ১ আসনে আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এর প্রতি ওয়ার্ডে নৌকার প্রচারনা «» গাজীপুর ২ আসনে জাহিদ আহসান রাসেল এর নৌকার ব্যাপক প্রচারণা «» ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট যাত্রীদের চরম ভোগান্তি «» শার্শায় নৌকা প্রতীককে জয়ী করার লক্ষে উপজেলা ছাত্রলীগের তলবী সভা «» শার্শা থানা পুলিশের নির্বাচনী মহড়া «» গাজীপুর ২ আসনে জাহিদ আহসান রাসেল এমপি’র নৌকার প্রচারণায় খাদিজা রাসেল «» গাজীপুরে-২ আসনে নৌকার পক্ষে জাতীয় শ্রমিক লীগের মিছিল «» পত্র-পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় বেনাপোল স্থল বন্দরে সচল লোড আনলোড «» গাজীপুরে ছুরিকাঘাতে নিহত ১ «» বেনাপোলের সীমান্তে ভারত থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় ৯ জন আটক ও বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল জব্দ

বিল গেটসের জীবনের মজার কিছু কাহিনি

রয়টার্সমাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের জীবন কেটেছে নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ না করেই মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করা, বিশ্বের সেরা ধনী ব্যক্তির আসনে ওঠা এবং দানশীল হিসেবে খ্যাতিমান হয়েছেন তিনি। তাঁর জীবনে  কিছু মজার ঘটনা আছে, যা আনন্দদায়ক। বিভিন্ন বই, ওয়েব ও তাঁর সহকর্মীদের সাক্ষাৎকারে এসব মজার কাহিনি উঠে এসেছে। তাঁর জীবনের এই মজার ঘটনাগুলো নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিজনেস ইনসাইডার। সেখান থেকে কিছু ঘটনা তুলে ধরা হলো:

গাড়ি চালানোর জন্য জরিমানা

জোরে গাড়ি চালানোর জন্য একবার নয়—তিনবার, তা-ও একই পুলিশের কাছে দুইবার জরিমানা দেওয়ার নজির আছে বিল গেটসের। পোরশে ৯১১ গাড়ি চালিয়ে আলবুকার্ক থেকে সিয়াটলে ফেরার সময় তাঁকে জরিমানা করা হয়। আলবুকার্ক মরুভূমিতে সাধারণত খুব জোরে গাড়ি চালাতেন গেটস। একবার এক বন্ধুর কাছ থেকে পোরশে ৯২৮ মডেলের সুপারকার ধার করে এত জোরে চালিয়েছিলেন যে তা ভেঙে যায়। এক বছর লেগেছিল তা মেরামত করতে।

কারিগরিতে ওস্তাদ

বিল গেটসকে কারিগরি দিক থেকে ফাঁকি দেওয়া সম্ভব নয়। কোনো সফটওয়্যার তৈরির মাঝপথে তিনি বাগড়া দেন না। কিন্তু এক মিনিটের জন্যও তাঁকে বোকা বানানো সম্ভব নয়। কারণ, তিনি একজন সত্যিকারের প্রোগ্রামার।

স্বেচ্ছাসেবী

খাবারের পর, বিশেষ করে রাতের খাবারের পর নিজের প্লেট নিজে ধুয়ে ফেলেন তিনি। তিনি বলেন, অন্যরা সাহায্য করতে চাইলেও নিজের কাজ নিজে করতে পছন্দ করেন তিনি।

মজার মানুষ

একবার এক সাক্ষাৎকারের সময় হুলুস্থুল কাণ্ড বাধিয়ে বসেন বিল গেটস। সাংবাদিককে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেন তিনি। ওই সময় বাথরুমের গিয়ে নিজেকে আটকে রাখেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সাংবাদিক ক্ষমা না চান, ততক্ষণ বাথরুমে বসে থাকার হুমকি দেন। তাতে কাজ হয়। মাইক্রোসফটের প্রতিবেদক ম্যারি জো ফলি এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। ফলি বলেন, মজার একটি ঘটনা এটি। কমডেক্স নামের এক সম্মেলনের সময় কয়েকজন সাংবাদিক মিলে গেটসের সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন। ওই সময়কার বিখ্যাত সাংবাদিক জন ডজ খেপিয়ে দেন বিল গেটসকে। অবশ্য তাঁর সাক্ষাৎকার নেওয়ার ধরন ছিল অন্যদের চেয়ে আলাদা। তিনি বিল গেটসকে ‘বাজারের সংজ্ঞা কী’ জাতীয় প্রশ্ন করেন। এতে বিল খেপে যান এবং উঠে গিয়ে বাথরুমে যান এবং নিজেকে আটকে রাখেন। বলেন, জন ক্ষমা না চাইলে আর বেরোবেন না। জন তখন বাথরুমের দরজার সামনে গিয়ে বলেন, ‘আই অ্যাম সরি।’

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *