সংবাদ শিরোনাম :
«» গাজীপুর ১ আসনে আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এর প্রতি ওয়ার্ডে নৌকার প্রচারনা «» গাজীপুর ২ আসনে জাহিদ আহসান রাসেল এর নৌকার ব্যাপক প্রচারণা «» ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট যাত্রীদের চরম ভোগান্তি «» শার্শায় নৌকা প্রতীককে জয়ী করার লক্ষে উপজেলা ছাত্রলীগের তলবী সভা «» শার্শা থানা পুলিশের নির্বাচনী মহড়া «» গাজীপুর ২ আসনে জাহিদ আহসান রাসেল এমপি’র নৌকার প্রচারণায় খাদিজা রাসেল «» গাজীপুরে-২ আসনে নৌকার পক্ষে জাতীয় শ্রমিক লীগের মিছিল «» পত্র-পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় বেনাপোল স্থল বন্দরে সচল লোড আনলোড «» গাজীপুরে ছুরিকাঘাতে নিহত ১ «» বেনাপোলের সীমান্তে ভারত থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় ৯ জন আটক ও বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল জব্দ

মামার চোখ ফাঁকি দিয়ে ভাগিনা উধাও হলো দুই সন্তানের মাকে নিয়ে

শহিদুল ইসলাম ঃ  গাজীপুর প্রতিনিধি ঃ  গাজীপুর মহানগর  কোনাবাড়ী পারিজাত এলাকায় ঘটে যায় এক আলোচিত ঘটনা। মামার চোখ ফাঁকি দিয়ে ভাগিনা উধাও হলো মামিকে নিয়ে গত দুদিন আগে । এদিকে ঘটনাটি ঘটার পর এই নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।
জানা যায়, পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার বিবির হাওলা  গ্রামের কাঞ্চন মিয়ার  ছেলে ইমরান মিয়ার  স্ত্রী নুপুর আক্তার (২৮) একই  জেলার রাঙ্গাবালী থানার চরলক্ষী গ্রামের রুহুল আমিন গাজীর ছেলে হানিফ মিয়ার (২২) হাত ধরে (১লা অক্টোবর) সোমবার সকাল আনুমানিক ১০ টার সময়  গোপনে ঘর ছেড়েছেন। নুপুর আক্তার  একই জেলার রাঙ্গাবালী থানার চরমার্গেট গ্রামের নয়ন মোল্লার মেয়ে। তারা উভয়ে কোনাবাড়ীতে পারিজাত এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো। নুপর আক্তারের ৮ বসরের একটি মেয়ে এবং ২২ মাসের একটি ছেলে সন্তান আছে। হানিফ মিয়া একই এলাকায় ভাড়া বাসা নিয়ে থাকতো তার ২০ মাসের একটি ছেলে সন্তান আছে। মাত্র দুই মাসের পরোকিয়ার সম্পর্কের বলি হলো এই অবুঝ শিশু গুলো।পলাতক গৃহবধু  স্বামী  মোঃ  ইমরান মিয়া কোনাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। গত ৮ বছর  আগে ইমরান মিয়ার সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় নুপুর আক্তারের। হানিফ মিয়া ছিলো ইমরানের দূর সম্পর্কের ভাগিনা।  ইমরান মিয়া চাকুরী করতো একটি পোশাক কারখানায়। এই সুযোগে মামীর সাথে পরোকিয়া সম্পর্ক গড়ে তোলে হানিফ । ভাগিনা হওয়ায় বাসায় আসতে কেউ নিষেধ করতো না।এক পর্যায়ে সম্পর্ক গভীরে পৌছালে গত সোমবার সকাল ১০ টায়  ঘরছাড়া হয় উভয়ই।এ নিয়ে পলাতক গৃহবধু নুপুরের  স্বামী ইমরান মিয়ার কাছে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি অফিসে   ছিলাম। হঠাৎ বাসা থেকে আমার মেয়ে মোবাইল ফোনে আমাকে জানায় যে, তার মাকে কোথায়ও দেখা যাচ্ছেনা।তখন আমি অফিস থেকে বাসায় গিয়ে দেখি     ঘরে নুপুরের  কোন পোশাক নেই, আলমারীতে গহনা নেই এবং  আলমারিতে এক লক্ষ টাকা ছিলো। আলমারি খুলে দেখা জায় সে টাকা আলমারিতে নেই। পরবর্তীতে খোজ নিয়ে জানতে পারি হানিফ নামে আমার এক দূর সম্পর্কের  ভাগিনার সাথে পরকিয়ার জেরে ঘর থেকে এসব নিয়ে পালিয়ে গেছে।এ বিষয়ে জানতে  হানিফ মিয়া ও নুপুরের  মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে এখন পর্যন্ত তাদের কোন খোজ পাওয়া যায়নি

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *