সংবাদ শিরোনাম :
«» যশোরের শার্শার কদম বিলে অতিথি পাখির মেলা «» কালিয়াকৈর শহিদ বুদ্দিজীবী দিবস পালিত «» হোমনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাই গাড়ীসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার-৫ «» বেনাপোলে ২০ হাজার মার্কিন ডলার সহ নারী পাসপোর্টযাত্রী আটক «» গাজীপুর জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামীম, সম্পাদক রিপন «» হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ জন নতুন ডাক্তার যোগদান «» তুরাগে টমেটো ভর্তি কাভার্ডভ্যান থেকে ৬০০ শ বোতল ফেন্সিডিল- সহ গ্রেফতার – দুই , কাভার্ডভ্যানটি জব্দ.. «» হোমনার ৫ জয়িতার জীবন সংগ্রামে হার না মানার গল্প «» বেনাপোলে গাঁজাসহ দুই নারী আটক «» অপরাধী যেই হোক, শাস্তি পেতেই হবে: প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরে ‘কাভার্ডভ্যানে ৩৯৪৬ বোতল ফেনসিডিল জব্দ

 নাসির উদ্দিন,গাজীপুর প্রতিনিধি : 

 গাজীপুরে তিন হাজার ৯৪৬ বোতল ফেনসিডিল পরিবহনে একটি কাভার্ডভ্যান জব্দ ও এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।নগরীর বাসন থানার নাওজোড় এলাকার মাম সিএনজি পাম্পের সামনে গত রাত (৭ নভেম্বর) আড়াইটায় অভিযান চালায় র‌্যাব-১ এর একটি দল।গ্রেপ্তার মো. আবু সাঈদ (২৮) চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার ফতেপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মো. সারওয়ার-বিন-কাশেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাম সিএনজি পাম্পের সামনে ওই কাভার্ডভ্যানটি তল্লাশী করে তিন হাজার ৯৪৬ বোতল ফেনসিডিল, ১৮ হাজার একশ টাকা ও দুটি মোবাইল উদ্ধার ও কাভার্ডভ্যান জব্দ  করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে তিনি ফেনসিডিলের চালানটি নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন।গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি মাদক চোরাচালানী চক্রের সদস্য বলে র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। সহযোগীদের মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে ফেনসিডিলের চালান ঢাকায় নিয়ে আসে তারা। মাদক পরিবহনের জন্য এই মাদক চোরাচালানকারী চক্রের একাধিক কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক রয়েছে, যেগুলো নামমাত্র পণ্য পরিবহন করলেও তাদের প্রধান উদ্দেশ্য মাদক পরিবহন করা।র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আবু সাঈদ আরও জানায়, ১০ বছরের অধিক একটি প্রতিষ্ঠানের প্রাইভেটকার চালিয়েছেন তিনি। মাদক চোরাচালানকারী সিন্ডিকেটের প্রলোভনে পড়ে তিনি তাদের সঙ্গে যুক্ত হন; চাকরি ছেড়ে শুরু করেন কাভার্ডভ্যান চালানো। ছয় মাসের বেশি সময় ধরে তিনি জব্দ করা কাভার্ডভ্যানটির চালক; যেটি পণ্য পরিবহনের কাজে ব্যবহার করার জন্য ক্রয় করা হলেও মাসের অধিকাংশ সময় গ্যারেজেই পড়ে থাকে। শুধুমাত্র মাদক পরিবহনে সময় বের করা হয় এবং মাদকের চালান হস্তান্তর করার পর ফিরতি পথে মাঝে মধ্যে পণ্য পরিবহণ করা হয়। ইতোপূর্বে এই গাড়িটি দিয়ে ১০-১৫টির বেশি মাদকের চালান ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় আনা হয়েছে বলেও সমূহে সরবরাহ করেছে বলে জানায়   সে চালানপ্রতি ৪০-৫০ হাজার টাকা পেয়ে থাকে বলে জিজ্ঞাসাবাদে আবু সাঈদ স্বীকার করেছে   

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *