সংবাদ শিরোনাম :
«» কাশ্মীর পাড়ি দেয়া যাবে ট্রেনেই, নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু রেলসেতু «» গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় ৩০ জনের মৃত্যু «» মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কোনো ভেদাভেদ নেই ঃ তথ্যমন্ত্রী «» গাজীপুরে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে দুইজন ডাকাত সদস্য নিহত «» লহরীতে এসএসসি ব্যাচ-২০১৩ ইং এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» গাজীপুরে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে সেচ্ছাসেবক লীগের ২৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী «» সাংবাদিক মোঃনাছির উদ্দিন পবিত্র ঈদুল আযহা’র উপলক্ষে গাজীপুর বাসিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন «» নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার দড়িকাছিকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ এর একটি খোলা চিঠি «» নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রামে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃৃত্যু! «» করোনাকালে সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেছেন কাউন্সিলর নূরুল ইসলাম নূরু

অপরাধী যেই হোক, শাস্তি পেতেই হবে: প্রধানমন্ত্রী

 

দেশান্তর ডেস্ক ঃ

ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিতে অপরাধী যেই হোক, তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আমরা মানবাধিকার সংরক্ষণের পাশাপাশি জঙ্গি, সন্ত্রাসবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধেও লড়াই করছি।মঙ্গলবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে জয়ের পর একটি বিধ্বস্ত দেশের মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা নিশ্চিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাত-দিন কাজ করেন। এর সুফল পেতে শুরু করেছিল জাতি। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর দেশের মানুষ অধিকার বঞ্চিত হতে শুরু করে।শেখ হাসিনা বলেন, ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট একটি পরিবারের এতগুলো মানুষকে হত্যা করা হলো অথচ তার বিচার হলো না! ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে একসময় যারা দম্ভ করে বলেছিল– এই হত্যার বিচার কেউ করতে পারবে না, তাদের রক্ষা করেছিল জিয়াউর রহমান। জিয়া শুধু খুনিদের রক্ষাই করেনি, তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। জিয়া ও তার স্ত্রী খুনিদের রাষ্ট্রপতির পদে নির্বাচন করিয়েছে। ভোট চুরি করে তাদের বিরোধী দলের নেতার চেয়ারে বসানো হয়েছে।’তিনি বলেন, ‘জিয়া ছিলেন বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করার পর এ দেশে অনেক মানুষ তার স্বজন হত্যার বিচার পায়নি। যারা মুক্তিযুদ্ধ করে এ দেশ স্বাধীন করেছে, তাদের হত্যা করে রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের রক্ষা করা হয়েছে।’রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, মিয়ানমারে তাদের ওপর যে বর্বর অত্যাচার চালানো হয়েছে, তা দেখে মুক্তিযুদ্ধের কথা মনে হয়েছে। আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।অনুষ্ঠানের শুরুতে মানবাধিকারের ওপর থিম সং পরিবেশন করা হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে মানবাধিকারের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। জাতিসংঘ ১৯৫০ সালে ১০ ডিসেম্বরকে ‘মানবাধিকার দিবস’ ঘোষণা করে। সেই থেকে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর ‘মানবাধিকার দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। [যুগান্তর থেকে সংগৃহীত] 

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *