সংবাদ শিরোনাম :
«» ফ্রান্সে মহানবী (সা:) কে অবমাননা ও ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শন, গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ «» মহানবী (সাঃ) কে অবমাননা ও ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শন করায় গাজীপুরে বিক্ষোভ «» তালাবদ্ধ অবস্থায় বাথরুম হতে রোগী উদ্ধার «» নবীনগরে আওয়ামীলীগ নেতার মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত! «» কালিয়াকৈরে ভুয়া র‌্যাব সদস্যসহ আটক ২ «» কালিয়াকৈরে মাদ্রাসায় ছেলে শিশু ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক আটক «» আমরা সবাই নবীর সেনা, ভয় করি না বুলেট বোমা এমন স্লোগানে উত্তাল টঙ্গী «» বাফুফের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় নূরুল ইসলাম নূরুকে টংগীতে গণসংবর্ধনা «» কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে নুরুল ইসলাম নুরু’র শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন «» টঙ্গীতে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও থানায় মিথ্যা মামলার অভিযোগ।

আওয়ামীলীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধো ডাঃ আইনুল হক হত্যা মামলার রায়ে হতাশা ও বিস্ময় জানিয়ে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

সাঈদ সিদ্দিক, নাটোর থেকে :
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মাঝগাঁও  ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ডা: আইনুল হক হত্যা মামলার রায় নিয়ে হতাশা ও অসন্তোষ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবারের সদস্যরা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে  উপজেলার বনপাড়াস্থ আওয়ামীলীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
গত সোমবার মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার আইনুল হক হত্যা মামলার রায়ে দুইজনের ফাঁসি এবং ১১ আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় বিএনপি’র  সশস্ত্র ১৭ জন নেতাকর্মী। এই রায়ে প্রকৃত দোষীরা সাজা না পেয়ে বেকসুর খালাস হওয়ায় বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।
ডা: আইনুল হকের বড় ছেলে বনপাড়া পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি কে এম জাকির হোসেন লিখিত বক্তব্যে জানান, ২০০২ সালের ২৮ শে মার্চ তার পিতাকে বনপাড়া সাহেব পাড়ার ডা: আনসারুল হক এর চেম্বার থেকে পুত্রবধু’ নাজমা বেগম কে সাথে নিয়ে মোটরসাইকেলে ওঠার সময় থানা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ একরামুল আলমসহ স্থানীয় বিএনপির ১৭ নেতাকর্মী তার উপরে চড়াও হয় , এসময় তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করলে রক্তাক্ত জখম হয় পরের দিন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। একই দিনে ডা: আয়নুল হক এর অনুসারী বনপাড়া, নটাবাড়ীয়া, কালিকাপুর, মহিষভাঙ্গা, এলাকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের শতাধিক বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় সন্ত্রাসীরা।
এই ঘটনায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ২০০২ সালের ১৫ ই অক্টোবর ঘটনাস্থলে আসেন এবং মুক্তিযোদ্ধা ডা: আইনুল হকের কবর জিয়ারত করেন।  এ সময় তিনি এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি করেছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অসন্তোষ প্রকাশ করে মেয়র কে এম জাকির হোসেন জানান, গত বুধবার রাষ্ট্র পক্ষ থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্চ আদালতে আপিল করা হয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই হত্যাকাণ্ডের যথার্থ বিচার প্রার্থনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডা: আইনুল হকের স্ত্রী জাহানারা বেগম, মামলার বাদী ও বড় পুত্রবধূ নাজমা বেগম, ছেলে কে এম জামিল হোসেন, কে এম জিল্লুর হোসেন জিন্না, মেয়ে আসমা হক শাপলা, জামাতা অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, বড়াইগ্রাম পৌর মেয়র আ: বারেক সরদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মিয়াজী, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মিজানুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবলু , উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা,  জেলা পরিষদের সদস্য মৌটুসী আক্তার মুক্তা, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শামসুল হক সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাগণ, উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যান বৃন্দ, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ,  ব্যবসায়ী ও সুধীসমাজ।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *