সংবাদ শিরোনাম :
«» ক্ষমতার বলে হারিয়ে যাচ্ছে বগুড়া ধুনটের মথুরাপুর বাজার «» উত্তরায় থেকে অপহৃত ব্যবসায়ী মিহির রায় দক্ষিণখান থেকে উদ্ধার, দুই অপহরণকারী গ্রেফতার «» গাজীপুরবাসী বিনামূল্যে করোনার টিকা পাবে, মেয়র এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম «» শহীদ আসাদ দিবসে এনাম ডেন্টাল কেয়ার শহীদ আসাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন «» ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে এক নারী নিহত ও সিএনজি ড্রাইভারসহ অপর ৫ জন গুরুতর আহত «» প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ «» টঙ্গীতে ৫দিনব্যাপী স্কাউট সমাবেশের সমাপনী অনুষ্ঠান «» টঙ্গীতে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালী «» গাজীপুর মহানগর চাপুলিয়া গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার «» বঙ্গবন্ধুকে বেশি বেশি জানতে হবে: আইজিপি বেনজির আহমেদ

শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি’র ৭০তম শুুভ জন্মদিন ৯ নভেম্বর চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

মো: রফিকুল ইসলাম রফিক, গাজীপুর :
শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি’র ৭০তম শুুভ জন্মদিন ৯ নভেম্বর চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি । যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি এর নেতৃত্বে গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উৎসাহ, উদ্দীপনার সহিত ফেস্টুন, ব্যানার, পোস্টারে সজ্জিত গাজীপুর । বৃহস্পতিবার বিকালে চেরাগ আলী ট্রাক স্ট্যান্ড ময়দানে শুভ জন্মদিনের আলোচনা সভা, মিলাদ, দোয়া মাহফিলের সহিত শুভ জন্মদিন উদ্যাপনে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সকল নেতাকর্মীদের স্ব শরীরে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য মতিউর রহমান এর জোর আহবান ।

আহসান উল্লাহ মাস্টার এর শিক্ষা ও কর্মজীবন :
আহসানউল্লাহর শিক্ষাজীবন শুরু হয় নিজ গ্রামের হায়দরাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালযয়ে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষাজীবন শেষ করে টঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। আহসানউল্লাহ ১৯৬৫ সালে এসএসসি পাস করে তৎকালীন কায়েদে আযম কলেজে (বর্তমান শহীদ সোহরাওয়ার্দী সরকারি কলেজ) একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হন। ১৯৭০ সালে ডিগ্রি পাস করার পর আহসানউল্লাহ টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া হাইস্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে তিনি ওই বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক (১৯৭৭-১৯৮৪) ও প্রধান শিক্ষকের (১৯৮৪-২০০৪) দায়িত্ব আমৃত্যু পর্যন্ত পালন করেন। আহসানউল্লাহ মাস্টার টঙ্গী শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবন:

১৯৬২ সালে হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন-এর বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে রাজনীতিতে তার হাতেখড়ি। তখন তিনি ছাত্রলীগ করতেন। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুঘোষিত বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা দাবি নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা যখন রাজপথে, তখনো আহসানউল্লাহ সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৬৯ সালে ১১ দফার আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।

১৯৮৩ সালের পুবাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ—প্রতিটি নির্বাচনে তিনি জয়ী হয়েছেন বিপুল ভোটে। ১৯৮৮ সালে পুবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এর আগে তিনি ওই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ ছাড়া আহসানউল্লাহ মাস্টার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) চেয়ারম্যান ছিলেন। তার জ্যেষ্ঠ ছেলে মো. জাহিদ আহসান রাসেল বর্তমানে জাতীয় সংসদের সদস্য, ছোট ছেলে জাবিদ আহসান সোহেল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।

মৃত্যু:

২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগের সাংসদ ও জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি পদে আসীন থাকাকালীন সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে নিহত হয়েছিলেন আহসানউল্লাহ মাস্টার। এ ঘটনার পরদিন তার ভাই মতিউর রহমান টঙ্গী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় ২০০৪ সালের ১০ জুলাই পুলিশ অভিযোগপত্র দায়ের করে। ঢাকার একটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল ২২ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। খালাস দেওয়া হয় দুই আসামিকে।[২]

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *