সংবাদ শিরোনাম :
«» টঙ্গীতে কৃষক লীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী উদ্ভধন «» কেরানীগঞ্জ আটি বাজার রাফিয়া হাসপাতালে নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট এর অভিযান «» যশোর নারাঙ্গালী সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নব নির্বাচিত সভাপতি আখতারুল কবির মিলন «» নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জে কারখানায় আগুন, লাশের মিছিলে স্বজনদের আহাজারি «» যশোরে গরিব, দুঃখী, অসহায়দের মাঝে ত্রান বিতরন «» গাজীপুরে ফ্রি অক্সিজেন সার্ভিস উদ্বোধন করলেন কামরুল আহসান রাসেল সরকার «» গাজীপুর চৌরাস্তায় লকডাউন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত «» মোদি-মমতার জন্য ২৬০০ কেজি আম পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী «» অপরাধীদের কঠোর বার্তা দিলেন নবাগত এ এস পি নবীনগর সার্কেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। «» গাজীপুর মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ এর জন্মদিন উদ্যাপন

বর্তমান শিক্ষাথীদের মোবাইল গেমস যেন সবথেকে মরন নেশা

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি:

যশোরের শার্শা উপজেলায় দিন দিন ইন্টারনেট ফাইটিং ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেমসে ঝুঁকছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। করোনায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অলস সময়ে এ গেমসে জড়িয়ে পড়ছে তারা।

জানা গেছে, শার্শা উপজেলায় উঠতি বয়সের শিক্ষার্থীরা ও পুরো যুব সমাজ দিন দিন ফ্রি ফায়ার/পাবাজি নামক গেমের নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। যে সময় তাদের ব্যস্ত থাকার কথা নিয়মিত পড়ালেখা সহ শিক্ষা পাঠ গ্রহণ নিয়ে ও খেলার মাঠে ক্রীড়া চর্চার মধ্যে, সেখানে তারা ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে জড়িয়ে পড়ে নেশায় পরিণত করছেন।

৭ বছর থেকে ২২ বছরের উঠতি বয়সের যুবকরা প্রতিনিয়ত অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে এসব গেইমে আসক্ত হচ্ছেন। এসব বিদেশী গেম থেকে শিক্ষার্থী বা তরুণ প্রজন্মকে ফিরিয়ে আনতে না পারলে বড় ধরণের ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফ্রি ফায়ার গেমসে অনুরাগী আব্দুলাহ্  জানান, ‘প্রথমে তার কাছে ফ্রি ফায়ার গেমস ভালো লাগত না। কিছুদিন বন্ধুদের দেখাদেখি খেলতে গিয়ে এখন সে আসক্ত হয়ে গেছেন। এখন গেমস না খেলে তার অস্বস্তিকর মনে হয় বলে জানান তিনি।

আরেক জন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী হাসান জানায়, ‘তিনি পূর্বে গেমস সম্পর্কে কিছু জানতেন না। এখন নিয়মিত পাবজি গেমস খেলেন তিনি। মাঝে মধ্যে গেমস খেলতে না পারলে মুঠোফোন ভেঙে ফেলার ইচ্ছাও হয় তার। তিনি আরো বলেন, পাবজি গেমস যে একবার খেলবে সে আর ছাড়তে পারবে না বলে দাবি করেন তিনি।

ফ্রি ফায়ার/পবজি নামক গেমসকে মাদকদ্রব্যর নেশার চেয়ে ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ করে স্থানীয় সমাজসেবক মোঃ শাহিদুল ইসলাম শাহিন জানান, ‘এই সমস্যা থেকে আমাদের সন্তান, ভাই-বোনদের বাঁচাতে হলে অভিভাবকদের পাশাপাশি সমাজের সচেতন মহল, শিক্ষক-শিক্ষিকা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।’

শিক্ষার্থীরা অনেকে পড়ার টেবিল ছেড়ে খেলছে মোবাইল গেমস, কখনো ইন্টারনেটের খারাপ সাইটে বিভিন্ন ছবি দেখছে। এতে একদিকে তাদের ভবিষ্যৎ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। তাই কিশোর-কিশোরীদের মা-বাবাসহ সমাজের সবারই খেয়াল রাখতে হবে, যেন তারা মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার না করে এবং প্রতিটি সন্তানকে একটু যত্ন সহকারে খেয়াল রাখার দায়িত্ব বা কর্তব্য বলে মনে করেন তিনি।’

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *