সংবাদ শিরোনাম :
«» টঙ্গীতে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি’র ১৭তম শাহাদাত বার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল «» বেস্ট অফ দ্যা মিলেনিয়াম এসএসসি ২০০০ব্যাচ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» গাজীপুরের টঙ্গীতে সেবক সংগঠনের উদ্যোগে মটর শ্রমিকদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ «» অন্তিম আলো ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন এর পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» যশোরের শার্শা থেকে ০৪ কেজি গাঁজা সহ মহিলা আটক «» ২৩ রমজানেও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সেহরি বিতরণ অব্যাহত «» কমলাপুরের ছিন্নমূল মানুষদের জন্য সাহরীর ব্যবস্থা করল বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ «» বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ «» বেনাপোলে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি, ক্রেতাদের ক্ষোভ «» ময়মনসিংহের ত্রিশালে পথশিশু কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের স্বীকৃতি চান তারা

মো.কবির হাওলাদার :
১৯৭২সালের চার ডিসেম্বর ঝিনাইদহে গিলাবাড়িয়া গ্রামের পাকিস্তানি বাহিনীর হামলায় মোকলেসুর রহমান তার স্ত্রী সখিনা খাতুন ও তাদের তিন সন্তান মারা যায়। তবে বেচে ঔ দম্পত্তির১০ বসরের এক ছেলে মিজানুর রহমান ও ৮ বসরের মেয়ে চায়না খাতুন মোকলেসুর রহমান ছেলে আইনজিপি সহকারী ৭১মুক্তি বাহিনীর ঘাটতে খাবার পৌচায়ে দিতেন স্বাধীনতার পর তার এতি দুই সন্তান আনেক কস্টো করে বড় হয়েছে তবে তারা স্বীকৃতি পননি বিবিন্ন দপ্তরে দৌড় যাব করে কাজ হয়নি শেষ পর্যন্ত তারা উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেছেন মোকলেসুর রহমান ভাতিজা শামসুর রহমান (৭০ সেদিনের ৪ডিসেম্বার ১৯৭১ (ঘটনা বলতে গিয়ে যানান পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান তাদের গ্রামের উপর ঘুড়তে থাকেন তারা সবাই ছোটাছুটি শুরু করেন চাচা মোকলেসুর রহমান ঘরের বারেন্দায় বসে ছিলেন তাদের ঘরের উপর বোমা পরেন ঘটনার স্তানে প্রান হারান মোকলেসুর রহমান মারা যান তার স্ত্রী সখিনা খাতুন ও তিন সন্তান মারা যান আহত হন ত ছোট মেয়ে চায়না খাতুন বাড়ির বাহিরে থাকায় বেচে যান বড় ছেলে মিজানুর রহমান চায়না কে নিয়ে তিনি হাসপাতালে নিয়ে যান এখনো চায়না খাতুন মুখের খত রয়েছে ছোট সেই মিজানুর রহমান বয়স ৬০বসর মিজানু ররহমান বলেন মা বাবা ভাই বোন হারিয় অসহায় হয়ে পারে ছিলেন বাচার জন্য তিনি দর্জির কাজ শুরু করে একাজ করেই জীবন চালিয়েছেন তার ছেলে এক মেয়ে মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন বড় ছেলে শাহিনুর আলম একটি ফার্মেসিতে কাজ করে আনে বাকী তিন ছেলে কে বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যন্ত পড়িয়েছেন কিন্তু তদবিরের অভাবে তার চাকুরী পাচ্ছে না মিজানুর রহমান আরো বলেন স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের দুই হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন এর পর তারা আর কোনো সহায়তা পাননি তারা সহায়তা চান না শুধু শহিদ পরিনারের স্বীকৃতি চান এ জন্য ভিবিন্ন দপ্তরে ছুটেছেন কিন্তু কোনো কাজ হয়নি এর জন্য উচ্চ আদালতে রিট করছে যা বর্তমানে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ সবেক কমান্ডার সিদ্দিক আহমেদ বলেন স্বাধীনতার যুদ্ধে পরিবার টির আবদান ছিলো স্বীকৃতি পাবার যোগ্য সরকারের মুক্তিযুদ্ধ মন্তনালয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে তারা আশা করে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএন ও (মদরুর্দুজা শুভ জানান নতুন ভাবে তালিকা ভুক্তি করার কোনো চিঠি পর্ত আসেনি এ ধরনের কিছু এলে আবস্যই যথাযথ কতৃপক্ষ কে জড়ানো হবে এ বিষ এ বিষয়ে যাচাই বাচাই করে ব্যবস্ত গ্রহণ করা হবে। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের স্বীকৃতি চান তারা মো.কবির হাওলাদার ১৯৭২সালের চার ডিসেম্বর ঝিনাইদহে গিলাবাড়িয়া গ্রামের পাকিস্তানি বাহিনীর হামলায় মোকলেসুর রহমান তার স্ত্রী সখিনা খাতুন ও তাদের তিন সন্তান মারা যায়।তবে বেচে ঔ দম্পত্তির১০ বসরের এক ছেলে মিজানুর রহমান ও ৮ বসরের মেয়ে চায়না খাতুন মোকলেসুর রহমান ছেলে আইনজিপি সহকারী ৭১মুক্তি বাহিনীর ঘাটতে খাবার পৌচায়ে দিতেন স্বাধীনতার পর তার এতি দুই সন্তান আনেক কস্টো করে বড় হয়েছে তবে তারা স্বীকৃতি পননি বিবিন্ন দপ্তরে দৌড় যাব করে কাজ হয়নি শেষ পর্যন্ত তারা উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেছেন মোকলেসুর রহমান ভাতিজা শামসুর রহমান (৭০ সেদিনের ৪ডিসেম্বার ১৯৭১ (ঘটনা বলতে গিয়ে যানান পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান তাদের গ্রামের উপর ঘুড়তে থাকেন তারা সবাই ছোটাছুটি শুরু করেন চাচা মোকলেসুর রহমান ঘরের বারেন্দায় বসে ছিলেন তাদের ঘরের উপর বোমা পরেন ঘটনার স্তানে প্রান হারান মোকলেসুর রহমান মারা যান তার স্ত্রী সখিনা খাতুন ও তিন সন্তান মারা যান আহত হন ত ছোট মেয়ে চায়না খাতুন বাড়ির বাহিরে থাকায় বেচে যান বড় ছেলে মিজানুর রহমান চায়না কে নিয়ে তিনি হাসপাতালে নিয়ে যান এখনো চায়না খাতুন মুখের খত রয়েছে ছোট সেই মিজানুর রহমান বয়স ৬০বসর মিজানু ররহমান বলেন মা বাবা ভাই বোন হারিয় অসহায় হয়ে পারে ছিলেন বাচার জন্য তিনি দর্জির কাজ শুরু করে একাজ করেই জীবন চালিয়েছেন তার ছেলে এক মেয়ে মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন বড় ছেলে শাহিনুর আলম একটি ফার্মেসিতে কাজ করে আনে বাকী তিন ছেলে কে বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যন্ত পড়িয়েছেন কিন্তু তদবিরের অভাবে তার চাকুরী পাচ্ছে না মিজানুর রহমান আরো বলেন স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের দুই হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন এর পর তারা আর কোনো সহায়তা পাননি তারা সহায়তা চান না শুধু শহিদ পরিনারের স্বীকৃতি চান এ জন্য ভিবিন্ন দপ্তরে ছুটেছেন কিন্তু কোনো কাজ হয়নি এর জন্য উচ্চ আদালতে রিট করছে যা বর্তমানে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ সবেক কমান্ডার সিদ্দিক আহমেদ বলেন স্বাধীনতার যুদ্ধে পরিবার টির আবদান ছিলো স্বীকৃতি পাবার যোগ্য সরকারের মুক্তিযুদ্ধ মন্তনালয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে তারা আশা করে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএন ও (মদরুর্দুজা শুভ জানান নতুন ভাবে তালিকা ভুক্তি করার কোনো চিঠি পর্ত আসেনি এ ধরনের কিছু এলে আবস্যই যথাযথ কতৃপক্ষ কে জড়ানো হবে এ বিষ এ বিষয়ে যাচাই বাচাই করে ব্যবস্ত গ্রহণ করা হবে।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *