সংবাদ শিরোনাম :
«» টঙ্গীতে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি’র ১৭তম শাহাদাত বার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল «» বেস্ট অফ দ্যা মিলেনিয়াম এসএসসি ২০০০ব্যাচ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» গাজীপুরের টঙ্গীতে সেবক সংগঠনের উদ্যোগে মটর শ্রমিকদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ «» অন্তিম আলো ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন এর পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» যশোরের শার্শা থেকে ০৪ কেজি গাঁজা সহ মহিলা আটক «» ২৩ রমজানেও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সেহরি বিতরণ অব্যাহত «» কমলাপুরের ছিন্নমূল মানুষদের জন্য সাহরীর ব্যবস্থা করল বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ «» বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ «» বেনাপোলে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি, ক্রেতাদের ক্ষোভ «» ময়মনসিংহের ত্রিশালে পথশিশু কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব

আতাউর রহমান কাজল :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর  থানাধীন রসুলাবাদ গ্রামে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। প্রভাবশালীরা অবাধে বালু উত্তোলন করছে। এতে বাঁধ, ফসলি জমি এবং ঘরবাড়ি হুমকিতে পড়েছে। ভুক্তভোগীরা এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।উপজেলার এসিল্যান্ডের (সহকারী কমিশনার-ভূমি) নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা অতি জরুরি  প্রশ্ন হচ্ছে প্রভাবশালী বলে কি তঁাদের যা খুশি তা করার অধিকার জন্মে গেছে? আইনের শাসন কি তঁাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?.
রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় থাকা একটি প্রভাবশালী মহল কিছু সরকারি জমি ও কিছু ব্যক্তিমালিকানাধীন ফসলি জমি থেকে প্রায় বছর ধরে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি ও বালু উত্তোলন করে আসছে। এসব বালু ও মাটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করছে মহলটি। দীর্ঘদিন ধরে মাটি ও বালু উত্তোলনের ফলে স্থানীয় কৃষকদের প্রায় ছয় হেক্টর ফসলি জমি বিনষ্ট হয়েছে। জমির পাশে উত্তোলনকাজে বাধা দিতে গেলে উল্টো কৃষকদের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
অবস্থা তো অনেকটা মগের মুল্লুকের মতো। যাঁর যা খুশি করছেন, কিন্তু কারও যেন কিছু বলার নেই। স্থানীয় প্রশাসন তাহলে কী করেছে? এভাবে এত দিন ধরে ফসলি জমি থেকে মাটি ও বালু তোলা হচ্ছে, তা কি প্রশাসনের চোখে পড়েনি? স্থানীয় কয়েকজন নেতা মাটি ও বালু উত্তোলনে সরাসরি জড়িত। তবে তাঁদের পেছনে রয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ধারা ৫-এর ১ উপধারা অনুযায়ী, পাম্প বা ড্রেজিং বা অন্য কোনো মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না। ধারা ৪-এর (খ) অনুযায়ী, সেতু, কালভার্ট, বাঁধ, সড়ক, মহাসড়ক, রেললাইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা অথবা আবাসিক এলাকা থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ। আইন অমান্যকারী দুই বছরের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। বলা বাহুল্য, এসব আইনের কোনো প্রয়োগ নেই। আর আইন ভঙ্গকারী যদি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হন, তাহলে তো আইন প্রয়োগের কোনো প্রশ্নই নেই।
আমরা আশা করব, ইউএনও এই বালু ও মাটি তোলা বন্ধে খুব দ্রুত উদ্যোগ নেবেন এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবেন। প্রভাবশালী বলে কাউকে ছাড় দেওয়া উচিত হবে না।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *