সংবাদ শিরোনাম :
«» টঙ্গীতে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি’র ১৭তম শাহাদাত বার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল «» বেস্ট অফ দ্যা মিলেনিয়াম এসএসসি ২০০০ব্যাচ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» গাজীপুরের টঙ্গীতে সেবক সংগঠনের উদ্যোগে মটর শ্রমিকদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ «» অন্তিম আলো ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন এর পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» যশোরের শার্শা থেকে ০৪ কেজি গাঁজা সহ মহিলা আটক «» ২৩ রমজানেও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সেহরি বিতরণ অব্যাহত «» কমলাপুরের ছিন্নমূল মানুষদের জন্য সাহরীর ব্যবস্থা করল বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ «» বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ «» বেনাপোলে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি, ক্রেতাদের ক্ষোভ «» ময়মনসিংহের ত্রিশালে পথশিশু কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

আমার জীবনে গ্রাম্য রাজনীতি কি

আতাউর রহমান কাজল :
একটি সুস্থ সমাজ চাই,  যেখানে মানুষে মানুষে বৈষম্য নাই”।
আমি বহু বছর ধরে শহরে বসবাস করি। শহরে ভিলেজ পলিটিক্স কেউ করে না। তবে এখানে অন্য ধরণের পলিটিক্স হয়। যেটাকে আমরা ডার্টি পলিটিক্স বা নোংরা রাজনীতি বলে থাকি।
গ্রামে আরো একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে- “চোরকে বলে চুরি কর, আর গৃহস্থকে বলে সজাগ থাকিস।” এটা ভিলেজ পলিটিশিয়ানরাই করে থাকেন। গ্রামে সবসময়ই একজনের সাথে আরেকজনের দ্বন্দ বা ঝামেলা বাধিয়ে দিয়ে ভিলেজ পলিটিশিয়ানরা নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করেন। যেমন ধরুন: একজন চোরকে আরেকজন গৃহস্থের বাড়িতে চুরি করতে পাঠিয়ে চোরকে বলেন, নিশ্চিন্তে চুরি কর, ধরা পড়লে আমি দেখব। আর গৃহস্থকে বলেন, শুনেছি আজ তোমার বাড়িতে চুরি হবে, তুমি সজাগ থেকো। ঐ ভিলেজ পলিটিশিয়ান তখন উভয়ের কাছেই উপকারী লোক হিসেবে গণ্য হন। আসলে তার উদ্দেশ্য কি ভালো? চোর যখন ধরা পড়ে, তখন চোরকে বাঁচাতে গিয়ে ঐ ভিলেজ পলিটিশিয়ান তার কাছে থেকে উপঢৌকন আদায় করেন।
যাঁরা এই ভিলেজ পলিটিক্সের নায়ক তাঁরা সবসময় সমাজের কাছে ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে চান। অনেক সময় সেই চেষ্টায় তাঁরা সফল হন। গ্রামের সবাই তাঁদেরকে সামনে-সামনে সম্মানের চোখে দেখে, কিন্তু প্রকৃতভাবে ভিলেজ পলিটিক্সের নায়কদেরকে কেউই সম্মানের চোখে দেখে না।
এখানে শালিসের নামে চলে অমানবিক অত্যাচার। গ্রামে বাস করেন আর গ্রাম্য রাজনিতি এর বলি হননি এমন লোক পাওয়া মুশকিল।গ্রাম্য রাজনিতির অপর নাম ভিলেজ পলিটিক্স।। এর নেপথ্যে থাকে সমাজের কিছু দুষ্ট প্রকৃতির লোক, কিছু মিচকা শয়তান, মুনাফিক। যারা ব্যালেন্স রক্ষা করে চলে এবং তিলকে তাল বানিয়ে উভয়দিক থেকে ফাঁয়দা হাসিল করতে চায় (দেখতে হলুদ প্রকৃতির-সব তরকারির সাথে সহজে মিশতে পারে)। #অনেকক্ষেত্রে তারা সফলও। অন্যের মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে খেতে এরা ভীষণ উস্তাদ।কোন লোক বিপদে পড়লে সকালে পরামর্শ দেয়ার নামে চলে চা নাস্তা সিগারেট আদায় আর বিকেলে ঝামেলা মিটিয়ে দেয়ার নাম করে হোটেলের পোড়া মুরগী+নান রুটি সাথে সিন্ডিকেট কে খুশি করতে দিতে হয় বেনসন সিগারেটের প্যাকেট।
#আর দূর্বল ও সবলের মধ্যে কোন ঝামেলা হলে প্রথমে ই পরার্মশ দিয়ে দূর্বল কে থানায় পাঠিয়ে দিয়ে একটি এজাহার দাখিল করানো হয়,
সিন্ডিকেটের পরিচিত কোন এসআই কে ফোন করে বলা হয় স্যার গ্রামে একটু আইসা ঘুইরা যান না-খরচ পাতি দিয়ে দেবো সেটা চিন্তা কইরেন না।
#এর পর সপ্তাহ পনের দিন চলে সিন্ডিকেটের সকাল বিকাল খাওয়া দাওয়া তাও আবার দু পক্ষ থেকে ই। অতঃপর কয়েক মাস সিন্ডিকেটের পিছনে ঘুরার পর যখন সবল ব্যক্তি ক্লান্ত তখন বলা হয় আমরা বিচার করে দিবো যদি মানো তাহলে বলো আর না হয় আমরা নাই,
তখন রীতিমতো বাধ্য হয়ে তিনি স্বীকার করেন আচ্ছা ঠিক আছে আমি মানবো অতঃপর দূর্বলকে ডেকে বলা হয় আমরা পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করবো তুই পাবি বিশ হাজার,দূর্বল তো দূর্বলই সে আবার কি বলবে? তাকে ও ভয় দেখানো হয় -না হয় অপর পক্ষও মামলা করবে।তখন তুই থাকবি দৌড়ের উপর।আচ্ছা ঠিক আছে বিচার অমুক দিন-বিচারে বেশি মানুষ ডাকার দরকার নাই আমরা (সিন্ডিকেট) ঝামেলা ভেঙ্গে দিবো।
#ঠিক ঐ তারিখে যদি গ্রামে এমন কোন লোকের আগমন ঘটে যে সিন্ডিকেট তাদের কার্য হাসিলে ব্যর্থ হবে তখন তড়িগড়ি করে বলা হয় আজকে বিচার হবে না আমাদের জরুরী কাজ আছে।
#এদের প্রধান টার্গেট থাকে এমন পরিবার/ বংশ গুলো যারা সমাজে অতীব দূর্বল প্রকৃতির বা যাদের শক্ত কোন লোক নেই।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *