সংবাদ শিরোনাম :
«» নড়াইলে বৃদ্ধাকে পুড়িয়ে হত্যার দুই পুত্রবধূ ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রহস্য বেরিয়ে আসেছে!! «» ময়মনসিংহে এিশালে দিনব্যাপী প্রনিসম্পদ প্রদর্শনী উদ্বোধনী ও আলোচনা অনুষ্ঠিত «» নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার ৪ «» বেনাপোলে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ «» নড়াইলে পুলিশের অভিযান ইয়াবা গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩ «» নড়াইলের পল্লীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের গরু বিক্রয়ের টাকা হাতিয়ে নিল গরু দালালরা!! «» নড়াইলে র‍্যাব’র অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ «» বেনাপোল স্থল বন্দরে ভারতীয় ট্রাকে আগুন «» নড়াইলে বিলুপ্তের পথে অত্যাবশকীয় পুষ্টিগুণ ফল কালো জাম! «» আমার পরিবারের কেউ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত নয়, যারা মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাইৃ… ময়না বেগম

বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে বিদেশী মদ সহ আটক ১

মো. সাগর হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি:

আমদানি-রফতানি বাণিজ্য গতিশীল, রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও শুল্কায়নে স্বচ্ছতা আনতে বিকম (বাংলাদেশ কাস্টমস অফিস ম্যানেজমেন্ট) নামে একটি নতুন সফটওয়্যার উদ্বোধন করেছে বেনাপোল কাস্টম হাউস। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর বেনাপোল কাস্টম হাউসই দেশের একমাত্র ডিজিটাল কাস্টম হাউসে উন্নীত হলো। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনুমোদনক্রমে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একদিকে সময় সাশ্রয় হচ্ছে, অন্যদিকে রাজস্ব ফাঁকি রোধ সম্ভব হচ্ছে।

বেনাপোল কাস্টম হাউস সূত্রে জানা যায়, আমদানি-রফতানি পণ্যবাহী ট্রাক ও পণ্যের তথ্য সংগ্রহ করতে জিরো পয়েন্টে এর আগে কার্গো শাখায় কাস্টমস, বন্দর ও বিজিবি যৌথভাবে এন্ট্রি করত। ফলে একটি ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করতে সময় লাগত ৩০ মিনিট। বর্তমানে ‘বিকম’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে বারকোড ব্যবহার করায় সময় লাগছে মাত্র পাঁচ মিনিট। বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ ট্রাক পণ্য আমদানি হয় ভারত থেকে। ভারতীয় এসব ট্রাকের অবস্থান ও কোন শেডে পণ্য আনলোড হচ্ছে তা মুহূর্তেই জানা যাচ্ছে বিকমের মাধ্যমে। আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের বিশ্লেষণও দ্রুত সম্ভব হয়। দেশের যেকোনো স্থানে অবস্থান করেও আমাদনি-রফতানি পণ্যবাহী ট্রাকের সুনির্দিস্ট স্থান নির্ণয় করা যাচ্ছে। এ ছাড়া মুহূর্তেই জানা যাচ্ছে, বকেয়া রাজস্ব, ব্যাংক গ্যারান্টি, আন্ডারটেকিং ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্সের সব তথ্য একযোগে যেকোনো অফিসার জানতে পারছেন।

বেনাপোল কমিশনার আজিজুর রহমানের নির্দেশে অতিরিক্ত কমিশনার ড. মো. নেয়ামুল ইসলামের একক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে এই প্রথম কাস্টম হাউসে বিকম সফটওয়্যার তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ১৫টি মডিউলের মাধ্যমে আমাদনি-রফতানি বাণিজ্য গতিশীল, শুল্কায়ন স্বচ্ছতা ও প্রতিদিন পাসপোর্টযাত্রীদের যাতায়াত মনিটরিং, চোরাচালানি পণ্য আটকসহ কাস্টমস ও বন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করছেন কমিশনার, অতিরিক্ত কমিশনারসহ এনবিআর। এর মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক পণ্য ডিটেক্ট করা দ্রুত সম্ভব হয় এবং বন্দরের গুদামে সংরক্ষিত বাজেয়াপ্ত মালপত্রগুলোর অবস্থান নিশ্চিত করা যায়। পণ্যের রাসায়নিক পরীক্ষার ফলাফল জালিয়াতি করা সম্ভব নয় বলে এটি অত্যন্ত নিরাপদ একটি সফটওয়্যার।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *